
হিজ়বুল জঙ্গি ইমতিয়াজ় আলি কান্দুর বিরুদ্ধে এ বার রেড কর্নার নোটিস জারি করল ইন্টারপোল। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর খোঁজ চালাচ্ছেন ভারতীয় তদন্তকারীরা। তিনি পাকিস্তানে পালিয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁকে ধরতে সম্প্রতি ইন্টারপোলের সাহায্য চায় জম্মু ও কাশ্মীরের গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতেই এ বার ইমতিয়াজ়ের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করল ইন্টারপোল।
জম্মু ও কাশ্মীরের সোপোরের বাসিন্দা ইমতিয়াজ় ওরফে ফৈয়জ় ওরফে সাজাদ জঙ্গিগোষ্ঠী হিজ়বুল মুজাহিদিনের কমান্ডার। ২০১০ সাল থেকে এই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তিনি। ২০১৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লার তারজুতে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়। জঙ্গিহানায় নিহত হন চার পুলিশকর্মী। ওই হামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ইমতিয়াজ়। সেই থেকেই তাঁর খোঁজ চলছিল।
প্রথমে স্থানীয় থানার পুলিশের হাতে মামলাটি ছিল। পরে ২০২৪ সালে কাশ্মীরের গোয়েন্দা সংস্থার হাতে যায় তদন্তভার। ইতিমধ্যে ২০২২ সালের অক্টোবরে ভারত সরকার ইমতিয়াজ়কে ‘চিহ্নিত জঙ্গি’ হিসেবে ঘোষণা করে।
আরও পড়ুন:
কোনও অভিযুক্ত ব্যক্তি অন্য দেশে গিয়ে আশ্রয় নিলে তাঁর বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করতে পারে ইন্টারপোল। অভিযুক্তকে খুঁজে বার করা এবং দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে ইন্টারপোল। অভিযুক্ত কোথাও গা-ঢাকা দিয়ে থাকলে, তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে থাকে সংস্থাটি এবং সেই তথ্য পাঠিয়ে দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট দেশকে। তাই বিভিন্ন দেশ-বিদেশে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদের খুঁজতে ইন্টারপোলের সাহায্য নিয়ে থাকে।
২০২৪ সালে তদন্তভার পাওয়ার পরে ওই বছরেই ছয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ চার্জশিট জমা দেন কাশ্মীরের গোয়েন্দারা। তাঁদের মধ্যে দুই অভিযুক্ত নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন। বাকি তিন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা। ষষ্ঠ অভিযুক্ত ইমতিয়াজ় এখনও পলাতক। তদন্তকারীদের অনুমান, তিনি পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছেন।